নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষা আইন ২০২৩ যথাযথ বাস্তবায়ন এর লক্ষ্যে আপনারা হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসাক, শিক্ষক ও ছাত্র – ছাত্রীগণ, সংগঠক সবাই নিবেদিত এবং নিঃস্বার্থ ভাবে হোমিও রক্ষার্থে ঐক্যবদ্ধ হোন।
#_জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনে সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজ, IHT, ম্যাটস, ডেন্টাল কলেজ, পোস্ট গ্রাজুয়েট প্রতিষ্ঠান, ইউনানী এবং আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজ এর নাম থাকলেও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বা কলেজ নিয়ে কোন ধরনের বিষয় উল্লেখ করা নেই। তারা এখানে হোমিওপ্যাথিক ওয়ার্ডটি পর্যন্ত সংস্কার কমিশন রিপোর্টে রাখেনি। এখানে ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক রেখেছে এই জন্য যে, ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক তেমন এলোপ্যাথির কোন প্রতিযোগী নয়। এলোপ্যাথির প্রতিযোগী শুধু হোমিওপ্যাথি। তাই এদেশে সরকারি ও বেসরকারি প্রায় মোট ৬৫ টি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ এবং প্রায় ২০০০ বিএইচএমএস ও ৫০০০০ ডিএইচএমএস হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক থাকার পরেও সংস্কার কমিশন হোমিওপ্যাথিক কোন মেডিকেল কলেজ বা শিক্ষার বিষয়ে রিপোর্টে কিছু উল্লেখ্য করেনি। করবেই বা কিভাবে? কেননা স্বাস্থ্যখাত সংস্কার কমিশনের প্রধান বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক এ কে আজাদ খান সহ মোট ১২ জন সদস্যের ১ জনও হোমিও ডাক্তার নেওয়া হয়নি। সবাই এলোপ্যাথিক চিকিৎসক এবং কেউ কেউ উপসচিব। এলোপ্যাথিক চিকিৎসকগণ হোমিওপ্যাথিকে সহ্যই করতে পারেন না, আরো রিপোর্টে নাম নেওয়া তো দূরে থাক। সংস্কার কমিশনে অন্তত একজন হলেও হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারকে নেওয়া উচিত ছিল। বাংলাদেশে বিবিসি বাংলার রিপোর্ট অনুযায়ী দশ বছর আগে প্রায় ৪০% হোমিওপ্যাথিক চিকিত্সা সেবা গ্রহণ করেন এবং এখন তা আরো বেড়েছে।এমনকি ক্যান্সার, কিডনি রোগসহ বড় বড় রোগ গুলো হোমিওপ্যাথিতে ভালো হচ্ছে। এমনকি ক্যান্সার, কিডনি রোগসহ বড় বড় রোগ গুলো হোমিওপ্যাথিতে ভালো হচ্ছে।তাহলে এই স্বাস্থ্যখাত সংস্কার রিপোর্টে হোমিওপ্যাথিকে বাদ দিয়ে তারা ধীরে ধীরে হোমিওপ্যাথি নিষিদ্ধ এবং বাংলাদেশ থেকে তা মুছে ফেলতে চাচ্ছে।
#_অথচ বৈষম্যবিরোধী এই সংস্কার কমিশনে হোমিওপ্যাথি নিয়ে বৈষম্য করেছে।
কিছুদিন আগেও এলোপ্যাথিক চিকিৎসকগণ ষড়যন্ত্র করেছিল যে, হোমিওপ্যাথি, ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসকগণ নামের আগে ডাক্তার লিখতে পারবে না।
#_অথচ বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষা আইন, ২০২৩ অনুযায়ী নামের আগে ডাক্তার লিখতে কোনো বাধা থাকেনি।
বারবার এই বৈষম্য হচ্ছে আর হোমিওপ্যাথিক বোর্ড, হোমিওপ্যাথিক চিকিত্সা শিক্ষা কাউন্সিল, হোমিওপ্যাথিক শিক্ষক, ডাক্তারগণ, মেডিকেল কলেজ এবং ছাত্র – ছাত্রীরা এই বৈষম্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও আন্দোলন না করে হোমিও ঔষধ সেবন করে ঘুমাচ্ছে।
খুব দ্রুত সরকারকে এই বৈষম্য দূর করে হোমিওপ্যাথিকে যথাযথ এলোপ্যাথিক এর মতোই অধিকার ও সুযোগ – সুবিধা দেওয়ার অনুরোধ করছি।
আর বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষা কাউন্সিল, হোমিওপ্যাথি বোর্ড, হোমিওপ্যাথিক কলেজ, ডাক্তারগণ, শিক্ষকগণ এবং ছাত্র – ছাত্রীরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই বৈষম্যের বিরুদ্ধে অনলাইনে এবং অফলাইনে প্রতিবাদ ও আন্দোলন করে নিজেদের অধিকার আদায় করুন।